দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শেরপুরের শ্রীবরদীতে ট্রাঙ্কের ভেতর থেকে উদ্ধার হওয়া অর্ধগলিত এক নারীর লাশের ঘটনায় হত্যার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে শেরপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই জামালপুরের পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত এসব তথ্য জানান।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—মো. নিয়ামুর নাহিদ (২৬) ও তার স্ত্রী মোছা. রিক্তা মনি (২৬)। নিহত ডলি আক্তার (৩৫) নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা।
পিবিআই জানায়, গত ১ এপ্রিল সকালে শ্রীবরদী উপজেলার তাঁতীহাটি নয়াপাড়া এলাকায় একটি ট্রাঙ্কের ভেতর বস্তাবন্দি অবস্থায় অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তদন্তে জানা যায়, ৩০ মার্চ রাতে গাজীপুরে পরিচয়ের সূত্র ধরে ডলি আক্তারকে বাসায় নিয়ে যান অভিযুক্ত নাহিদ। সেখানে আর্থিক লেনদেন নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে শ্বাসরোধে তার মৃত্যু ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পিবিআই।
পরে মরদেহ গোপন করতে নাহিদ তার স্ত্রীকে বিষয়টি জানান। দুজন মিলে মরদেহ ট্রাঙ্কে ভরে পিকআপে করে শেরপুরের শ্রীবরদীতে এনে ফেলে রেখে যান বলে জানানো হয়।
তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পিকআপ শনাক্ত করে চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং পরবর্তী অভিযানে শেরপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়ক থেকে ওই দম্পতিকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারের পর তাদের আদালতে সোপর্দ করা হলে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানায় পিবিআই।
এ ঘটনায় তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
এমএস/